By %MONIR%

বুধবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৭

বুদ্ধদেব বসু নভেম্বর ৩০, ১৯০৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন৷ তিনি একজন খ্যাতনামা বাঙালি সাহিত্যিক।

Post By
Kalipada Roy


বুদ্ধদেব বসু
কবি, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, গল্পকার, অনুবাদক, সম্পাদক ও সমালোচক
বুদ্ধদেব বসু নভেম্বর ৩০, ১৯০৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন৷ তিনি একজন খ্যাতনামা বাঙালি সাহিত্যিক। তিনি একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, গল্পকার, অনুবাদক, সম্পাদক ও সাহিত্য-সমালোচক ছিলেন। বিংশ শতাব্দীর বিশ ও ত্রিশের দশকের নতুন কাব্যরীতির সূচনাকারী অন্যতম কবি হিসেবে তিনি সমাদৃত। তবে সাহিত্য সমালোচনা ও কবিতা পত্রিকার প্রকাশ ও সম্পাদনার জন্য তিনি বিশেষভাবে সম্মাননীয়।
বুদ্ধদেব বসু
বুদ্ধদেব বসু
পেশা কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং সম্পাদক
জাতীয়তা ভারতীয়
জাতি বাঙালি
নাগরিকত্ব ভারতীয়
সময়কাল বিংশ শতাব্দী
ধরন কথাসাহিত্যিক
বিষয় সাহিত্য
উল্লেখযোগ্য রচনাসমূহ মর্মবাণী; সাড়া; অভিনয়, অভিনয় নয়; হঠাৎ-আলোর ঝলকানি; মায়া-মালঞ্চ; কালিদাসের মেঘদূত; সব-পেয়েছির দেশে; আমার ছেলেবেলা; আধুনিক বাংলা কবিতা
দাম্পত্যসঙ্গী প্রতিভা সোম (বিবাহ-পরবর্তীতে : প্রতিভা বসু)
অল্প বয়স থেকেই কবিতা রচনা করেছেন, ছেলে জুটিয়ে নাটকের দল তৈরি করেছেন। প্রগতি ও কল্লোল নামে দু'টি পত্রিকায় লেখার অভিজ্ঞতা সম্বল করে যে কয়েকজন তরুণ বাঙালি লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবদ্দশাতেই রবীন্দ্রনাথের প্রভাবের বাইরে সরে দাঁড়াবার দুঃসাহস করেছিলেন তিনি তাঁদের অন্যতম। ইংরেজি ভাষায় কবিতা, গল্প, প্রবন্ধাদি রচনা করে তিনি ইংল্যান্ড ও আমেরিকায়ও প্রশংসা অর্জন করেছিলেন।
Image may contain: 1 person, closeupব্যক্তিগত জীবন সম্পাদনা
বুদ্ধদেব বসুর জন্ম হয় কুমিল্লায়। তাঁর পিতা ভূদেব বসু পেশায় ঢাকা বারের উকিল ছিলেন। তাঁর মাতার নাম বিনয়কুমারী। বুদ্ধদেব বসুর মাতামহ চিন্তাহরণ সিংহ ছিলেন পুলিশ অফিসার। তাঁর পৈতৃক আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগর গ্রামে। জন্মের চব্বিশ ঘণ্টা পরেই তাঁর মাতা বিনয়কুমারীর ১৬ বছর বয়সে ধনুষ্টঙ্কার রোগে মৃত্যু ঘটে।[১] এতে শোকাভিভূত হয়ে তাঁর পিতা সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করে গৃহত্যাগ করেন। মাতামহ চিন্তাহরণ ও মাতামহী স্বর্ণলতা সিংহ'র কাছে প্রতিপালিত হন বুদ্ধদেব। বুদ্ধদেবের শৈশব, কৈশোর ও যৌবনের প্রথমভাগ কেটেছে কুমিল্লা, নোয়াখালী আর ঢাকায়।
শিক্ষাজীবন সম্পাদনা
১৯২১ সালে ১৩ বছর বয়সে তিনি ঢাকায় আসেন এবং প্রায় দশ বৎসর ঢাকায় শিক্ষালাভ করেন। বুদ্ধদেব বসু ১৯২৩ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হন। ১৯২৫ সালে ঐ স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রথম বিভাগে পঞ্চম স্থান অধিকার করেন। ১৯২৭ সালে ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (বর্তমানে ঢাকা কলেজ) থেকে প্রথম বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে আই. এ. পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে থেকে ইংরেজিতে ১৯৩০-এ প্রথম শ্রেণীতে বি. এ. অনার্স এবং ১৯৩১-এ প্রথম শ্রেণীতে এম.এ. ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ছিলেন মেধাবী এক ছাত্র। বি. এ. অনার্স পরীক্ষায় তিনি যে নম্বর লাভ করেন তা একটি রেকর্ড; এবং অদ্যাবধি (২০০৯) এ রেকর্ড অক্ষুণ্ণ আছে।
কর্মজীবন সম্পাদনা
অধ্যাপনার মাধ্যমেই তাঁর কর্মময় জীবন শুরু। জীবনের শেষাবধি তিনি নানা কাজে-কর্মে ব্যাপৃত রেখেছেন। শিক্ষকতাই ছিল জীবিকা অর্জনে তার মূল পেশা। কর্মময় জীবনের শুরুতে স্থানীয় কলেজের লেকচারের পদের জন্য আবেদন করে দু'বার প্রত্যাখ্যাত হলেও ইংরেজি সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য পরিণত বয়সে তিনি আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্য সম্পর্কে সারগর্ভ বক্তৃতা দিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। বাঙলা ভাষার তুলনামূলক সাহিত্য সমালোচনার ক্ষীণস্রোতকে তিনি বিস্তৃত ও বেগবান করেন। ১৯৩৪ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত কলকাতা রিপন কলেজে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা করেন। ১৯৪৫ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত স্টেটসম্যান পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। ১৯৫২ সালে দিল্লি ও মহিশূরে ইউনেস্কোর প্রকল্প উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ১৯৫৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গের পেনসিলভেনিয়া কলেজ ফর উইমেনে শিক্ষকতা করেন তিনি।[১] ১৯৫৬ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বুদ্ধদেব বসু তুলনামূলক ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
এছাড়াও, তিনি উচ্চ মানের সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে বুদ্ধদেব বসু প্রভুগুহ ঠাকুরতা, অজিত দত্ত প্রমুখকে বন্ধু হিসেবে পেয়েছিলেন।[২] এ সময় ঢাকার পুরানা পল্টন থেকে তাঁর ও অজিত দত্তের যৌথ সম্পাদনায় ১৯২৭ - ১৯২৯ পর্যন্ত সচিত্র মাসিক 'প্রগতি' (১৯২৭) মাসিক পত্রিকার সম্পাদনা করেন এবং 'কল্লোল' (১৯২৩) গোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক স্থাপিত হয়। কলকাতায় বসবাসকালে তিনি প্রেমেন্দ্র মিত্রের সহযোগিতায় ১৯৩৫ সালে ত্রৈমাসিক কবিতা (আশ্বিন ১৩৪৪) পত্রিকা সম্পাদনা করে প্রকাশ করেন।

রমেশচন্দ্র দত্ত ৩০ নভেম্বর ১৯০৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন৷ তিনি ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক। তিনি বঙ্কিমচন্দ্রের অনুরোধে বাংলা উপন্যাস রচনায় অগ্রসর হন এবং বিশেষ সাফল্য অর্জন করেন।

Post By
Kalipada Roy

রমেশচন্দ্র দত্ত ৩০ নভেম্বর ১৯০৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন৷ তিনি ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক। তিনি বঙ্কিমচন্দ্রের অনুরোধে বাংলা উপন্যাস রচনায় অগ্রসর হন এবং বিশেষ সাফল্য অর্জন করেন।
রমেশচন্দ্র দত্ত
জন্ম ১৮৪৮
মৃত্যু ১৯০৯
জাতিসত্তা বাঙালি
যে জন্য পরিচিত বাঙালি ঔপন্যাসিক
প্রাথমিক জীবন সম্পাদনা
রমেশ চন্দ্র দত্ত একটি বিশিষ্ট বাঙালি কায়স্থ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন৷ তার পরিবারের প্রায় সবাই ছিলেন উচ্চশিক্ষিত৷ তার বাবা ছিলেন ঈসাম চন্দ্র দত্ত এবং মা ছিলেন ঠাকামাণী৷ তার বাবা ঈসাম চন্দ্র তৎকালীন বাংলার ডেপুটি কালেক্টর ছিলেন৷ অফিস চলাকালীন সময়ে রমেশ চন্দ্র দত্ত তার সঙ্গে থাকতেন৷ রমেশ চন্দ্র বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্কুলে পড়াশোনা করেছেন৷ তিনি কুষ্টিয়ার কুমারখালী মথুরানাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও পড়াশুনা করেছেন। এছাড়াও তিনি ডেভিড হেয়ার প্রতিষ্ঠিত হেয়ার স্কুলে পড়াশোনা করেন৷ নৌকা দূর্ঘটনায় তার বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পর ১৮৬১ সালে তার চাচা শশী চন্দ্র দত্ত, যিনি একজন প্রখ্যাত লেখক ছিলেন, তার অভিভাবকত্ত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করেন৷ রমেশ চন্দ্র তার চাচা সম্পর্কে লিখেছেন যে রাতের বেলা তিনি পরিবারের অন্যান্যদের সাথে বসতেন এবং তাদের প্রিয় বিষয় ছিল ইংরেজী কবিদের কবিতা চর্চা করা৷[১]
রমেশ চন্দ্র ১৮৬৪ সালে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা শুরু করেন৷ পরে ১৮৬৬ সালে তিনি মেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জনের মাধ্যমে এবং স্কলারশীপ অর্জনের মাধ্যমে আর্টস পরীক্ষায় পাস করেন৷ ১৮৬৮ সালে বিএ ক্লাসের ছাত্র থাকা অবস্থায় পরিবারের অনুমতি না নিয়ে তিনি এবং তার দুই বন্ধু বিহারী লাল গুপ্ত এবং সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান৷ রমেশ চন্দ্র সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৃতিত্বকে ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন৷ সে সময় দীর্ঘ সময় ধরে ১৮৫৩ সালের আগে ও পরে, যখন ইংল্যান্ডে আইসিএস পরীক্ষা চালু করা হয়, তার পূর্বে মূলত বিট্রিশ কর্মকর্তারাই গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদগুলোতে নিয়োগপ্রাপ্ত হতেন৷ ১৮৬০ সালের দিকে ভারতীয়রা, বিশেষ করে বাঙালি বুদ্ধিজীবি সম্প্রদায়ের লোকজন হতে ভারতীয় উপমহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদগুলোতে আসীন হতে শুরু করেন৷
Image may contain: 1 personইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন এ রমেশ ব্রিটিশ লেখকদের নিয়ে পড়াশোনা করেন৷ তিনি লন্ডনের মিডল ট্যাম্পল এ আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন৷ তিনি ১৮৬৯[২] সালের ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস এর ওপেন এক্সামিনেশন এ তৃতীয় স্থান [৩] লাভের মাধ্যমে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন৷
সিভিল সার্ভিস সম্পাদনা

১৮৭১ সালে রমেশ চন্দ্র দত্ত আলীপুরের সহকারী ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আইসিএস(ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস) এ যোগদান করেন৷ পদটিতে তার নিয়োগ ১৮৫৮ সালের ১লা নভেম্বর রাণী ভিক্টোরিয়ার রঙ ও ধর্মমত নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতি সমান সুযোগের ঘোষণার [৪] প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে৷
ভয়ঙ্কর সাইক্লোনের কারণে ১৮৭৪ সালে নদীয়া জেলার মেহেরপুরে এবং ১৮৭৬ সালে ভোলা জেলার দক্ষিণ শাহবাজপুরে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়৷ এলাকাগুলোতে জরুরী ত্রাণ বিতরণ ব্যবস্থা এবং দূর্যোগ পরবর্তী বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া একান্ত অপরিহার্য হয়ে পড়ে৷ রমেশ চন্দ্রের তত্ত্বাবধানে এ কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়৷ ১৮৮২ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে রমেশ চন্দ্রকে সার্ভিসের নির্বাহী শাখায় নিয়োগ দেয়া হয়৷ তিনিই প্রথম ভারতীয়, যাকে নির্বাহী পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়৷ ১৮৯৩ সালে তিনি বর্ধমান জেলার জেলা অফিসার এবং ১৮৯৪ সালে বর্ধমান বিভাগের কমিশনার হন৷ রমেশ চন্দ্র ১৮৯৫ সালে উড়িষ্যার বিভাগীয় কমিশনারের দায়িত্ব লাভ করেন৷ ভারতীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম ভারতীয়, যিনি বিভাগীয় কমিশনার পদে আসীন হন৷[৩]
রাজনীতি সম্পাদনা
রমেশ চন্দ্র নরমপন্থী জাতিয়তাবাদী রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন৷ কংগ্রেসের শুরুর দিকে তিনি কংগ্রেসের সাথে জড়িত ছিলেন৷ ১৮৯৯ সালে তিনি ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস এর প্রেসিডেন্ট ছিলেন৷
সাহিত্যে অবদান সম্পাদনা
১৮৯৪ সালে রমেশ চন্দ্র বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের প্রথম সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন৷ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং নবীনচন্দ্র সেন পরিষদটির সহ-সভাপতি ছিলেন৷[৫] বাংলা সাহিত্যের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৮৯৩ সালে পরিষদটি গঠন করা হয়৷
সূদীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি অনেকগুলো বই লিখেছেন৷ এছাড়াও তিনি মহাভারত ও রামায়ন অনুবাদও করেছেন৷ গুণী এ মনীষী ১৯০৯ সালের ৩০এ নভেম্বর মারা যান৷

মাতৃভাষা

মাতৃভাষা
ভারতের অনেক জায়গায় ঘুরেছি৷ কিছু কিছু প্রদেশে মাতৃভাষাকে সম্মান দেখানোর এমন নজির আছে যে সেখানে প্রতিটি সাইনবোর্ড তারা মাতৃভাষায় লিখে থাকেন৷ উড়িষ্যা, তামিলনাড়ু, গুজরাত এসব রাজ্যে নিজ নিজ মাতৃভাষার ব্যাপক ব্যবহার৷
গুজরাতের অনেক মানুষকেই জিজ্ঞেস করেছিলাম যে তাঁরা বহুভাষার ভারতবর্ষে কেন গুজরাতী ভাষায় সকল সাইন বোর্ড লিখেন? এমন কি সরকারী সব কাজই মাতৃভাষায় করা হয়

তাঁদের সকলের মোটামোটি একই বক্তব্য যে, মাতৃভাষাকে সম্মান দেওয়া সবার আগে আমাদের কর্তব্য৷ আবার প্রশ্ন ছিল মাতৃভাষাকে সম্মান দেওয়া এ তো খুব আনন্দ ও গর্বের কথা কিন্তু এই বহু ভাষার দেশে অন্তত সাইন বোর্ডে মাতৃভাষায় লিখে ছোট করে ইংরেজীতে লিখলে বহিরাগত মানুষদের সব কিছু জানতে এবং বুঝতে বিশেষ সুবিধা হয় এটা তো ঠিক কি না?
ওনারা বললেন আপনি বুঝতে না পারলে কাউকে জিজ্ঞেস করে জানবেন৷ দেখবেন আপনাকে সুন্দর করে বুঝিয়ে দিবে আপনার ঠিকানা বা প্রয়োজনীয় জায়গা কোথায়৷ কিন্তু মাতৃভাষাকে আমাদের এই সম্মান দিতেই হবে৷
তাই বলে যে আমরা অন্য ভাষা পড়ি না বা শিখি না এমন নয়৷
এবার প্রশ্ন হল, আমাদের বিশ্ব বাংলার বঙ্গে এমন হয় না কেন? আজও একটা রেশন কির্ডের ফরম পুরন ইংরেজিতে করতে হয়৷ সরকারী অফিসে সব কাজই ইংরেজিতে হয় বললেই চলে৷
তবে কি নাম কা ওয়াস্তে বিশ্ব বাংলা?
আবার অনেক ফেসবুক বন্ধু বাংলা শব্দ ইংরেজিতে লিখেন৷ এটাও একটা বেদনা দায়ক ব্যাপার৷ অনেকে মনে করেন ইংরেজীতে না লিখলে নিজেকে ছোট মনে হয়৷ এটাও একটা ভুল ধারনা৷ গত বছর ২১শে ফেব্রুয়ারীর আগে অনেক বন্ধু বাংলা লিখতে শুরু করেছেন৷ আজও তাঁরা বাংলায় লিখেন৷ অাবার অনেকে বলেন বাংলা লিখতে সময় বেশী দরকার হয় আমি তাঁদের Swarchakra bangla instal করতে বলেছিলাম এবং তাঁরা এই app এ লিখতে গিয়ে এত আনন্দ পেয়েছেন যা বলার ভাষা রাখে না৷ খুব দ্রুত নির্ভুল লিখা যায়৷ আবার ওখানে ইংরেজী লিখারও পদ্ধতি আছে৷
তাই আমি অনুরোধ করব মাতৃভাষাকে সম্মান দিয়ে লিখার চেষ্টা করুন৷ ভুলত্রুটি ক্ষমা করবেন বন্ধুগণ৷
ধন্যবান্তে
কালীপদ রায়৷

এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের ২৯শে নভেম্বর কোথায় কি ঘটেছিল৷

    এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের ২৯শে নভেম্বর কোথায় কি ঘটেছিল৷

    ইতিহাসে ২৯ নভেম্বর
    ১০৫৮ সালের এই দিনে ফ্রান্সের রাজা চতুর্থ ফিলিপের মৃত্যু।
    ১৪২৭ সালের এই দিনে চীনের রাজা ঝেংটংয়ের জন্ম।
    ১৫২০ সালের এই দিনে স্প্যানিশ নাবিক মাজলান নতুন একটি প্রণালীর সন্ধান পান।
    ১৫৯৬ সালের এই দিনে রাজা দ্বিতীয় ফিলিপ সে দেশের মুদ্রা অবমূল্যায়িত করেন।
    ১৬৪৩ সালের এই দিনে ইটালির বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ক্লাওদিও মোন্তেভেরদে ৬৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
    ১৭৭৫ সালের এই দিনে স্যার জেমস জে অদৃশ্য কালি আবিষ্কার করেন।
    ১৭৯২ সালের এই দিনে মার্ক উডের করা সমগ্র কলকাতার নকশা প্রথম প্রকাশ করেন মি. বেইলি।
    ১৮১২ সালের এই দিনে শিৰাব্রতী ও সমাজসেবী দানবীর হাজী মুহাম্মদ মহসীন ভারতের হুগলীতে ইন্তেকাল করেন।
    ১৮৩৯ সালের এই দিনে গৌরীশঙ্কর তর্কবাগীশের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক ‘সম্বাদ রসরাজ’ প্রকাশিত হয়।
    ১৮৭৪ সালের এই দিনে পর্তুগিজ স্নায়ুতত্ত্ববিদ অ্যাগাস মোনেশের জন্ম।
    ১৮৯৪ সালের এই দিনে রুশ ঔপন্যাসিক বোরিস পিলনিয়াকের জন্ম।
    ১৮৯৭ সালের এই দিনে ইংল্যান্ডের সারেতে প্রথম মোটরসাইকেল রেস হয়।
    ১৯১০ সালের এই দিনে ট্রাফিক বাতি প্যাটেন্ট হয়।
    ১৯১৩ সালের এই দিনে যুগোস্লাভিয়ায় মার্শাল টিটোর নেতৃত্বে এন্টি ফ্যাসিজম ফ্রন্ট গঠিত হয়।
    ১৯১৮ সালের এই দিনে লিথুয়ানিয়া প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষিত।
    ১৯২৪ সালের এই দিনে ইটালির মিউজিক কম্পোজার জিয়াকোমো পুচিনো মৃত্যুবরণ করেন।
    ১৯৩২ সালের এই দিনে ফ্রান্সের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জ্যাক শিরাক জন্মগ্রহন করেন ।
    ১৯৩২ সালের এই দিনে সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ফ্রান্সের চুক্তি হয়।
    ১৯৩৬ সালের এই দিনে রসায়নে নোবেলজয়ী [১৯৮৬] তাইওয়ানজাত মার্কিন বিজ্ঞানী লু যুয়ান তেশের জন্ম।
    ১৯৪৪ সালের এই দিনে আলবেনিয়া নাৎসি কবল থেকে মুক্ত হয়।
    ১৯৪৭ সালের এই দিনে পাশ্চাত্য ও ইহুদিবাদীদের প্রভাবাধীন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, ফিলিস্তিন ভূখন্ডকে বিভক্ত করার পক্ষে রায় দেয় এবং বায়তুল মোকাদ্দাসকে জাতিসংঘের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা বলে ঘোষণা করে।
    ১৯৪৯ সালের এই দিনে রস-সাহিত্যিক কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
    ১৯৭৩ সালের এই দিনে ওয়েলশ ফুটবলার রায়ান গিগস জন্মগ্রহন করেন ।
    ১৯৮৭ সালের এই দিনে বাংলা ভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী এবং রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ তোয়াহা মৃত্যুবরণ করেন ।
    ১৯৮৮ সালের এই দিনে প্রলংকারী ঘূর্নিঝড় ও জলোচ্ছাসে বিধ্বস্ত হয় দক্ষিনাঞ্চলের বিস্তীর্ন জনপদ।
    ১৯৯৩ সালের এই দিনে ভারতের অগ্রগণ্য শিল্পপতি জি আর ডি টাটার মৃত্যু।
    ১৯৯৪ সালের এই দিনে নেপালে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মহমোহন অধিকারী প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
    ১৯৯৬ সালের এই দিনে সীমান্ত সমস্যা চীন ভারত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
    ২০০১ সালের এই দিনে বিংশ শতাব্দীর অত্যন্ত প্রতিভাবান জনপ্রিয় গায়ক এবং গিটারিস্ট জর্জ হ্যারিসন মৃত্যুবরণ করেন ।
    ২০০৪ সালের এই দিনে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন বিল-২০০৪ পাস হয়।
    বিভাগঃ নভেম্বর ।

    Show more reactions

হাজি মুহাম্মদ মহসীন ২৯শে নভেম্বর ১৮১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন৷ তিনি ছিলেন বাংলার একজন জনহিতৈষী, দানবীর। দানশীলতার জন্য তিনি দানবীর খেতাব পেয়েছিলেন।



হাজি মুহাম্মদ মহসীন ২৯শে নভেম্বর ১৮১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন৷ তিনি ছিলেন বাংলার একজন জনহিতৈষী, দানবীর। দানশীলতার জন্য তিনি দানবীর খেতাব পেয়েছিলেন।
মুহাম্মদ মহসিন
জন্ম ১৭৩২
হুগলি, বাংলা, মুঘল সাম্রাজ্য
মৃত্যু ১৮১২ (বয়স ৭৯–৮০)
হুগলি, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত
সমাধি হুগলি ইমামবাড়া
যে জন্য পরিচিত দানশীলতা
উল্লেখযোগ্য কাজ মহসিন ফান্ড
আদি শহর হুগলি
উপাধি দানবীর
ধর্ম ইসলাম
জীবনী সম্পাদনা
Image may contain: 1 person, hatহাজি মুহাম্মদ মহসিনের প্রতিষ্ঠিত হুগলি ইমামবাড়া, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ।
মুহাম্মদ মহসিন ১৭৩২ সালে হুগলিতে জন্মগ্রহণ করেন।[১] তার বাবা হাজি ফয়জুল্লাহ ও মা জয়নাব খানম। ফয়জুল্লাহ ছিলেন একজন ধনী জায়গিরদার। তিনি ইরান থেকে বাংলায় এসেছিলেন। জয়নব ছিলেন ফয়জুল্লাহর দ্বিতীয় স্ত্রী। জয়নবেরও পূর্বে বিয়ে হয়েছিল। মন্নুজান খানম নামে তার ও তার সাবেক স্বামী আগা মোতাহারের একটি মেয়ে ছিল। আগা মোতাহারও বিপুল সম্পদের মালিক ছিলেন। হুগলি, যশোর, মুর্শিদাবাদ ও নদীয়ায় তার জায়গির ছিল। আগা মোতাহারের সম্পত্তি তার মেয়ে মন্নুজান উত্তরাধিকার সূত্রে অর্জন করেছিলেন।[১]
গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে মহসিন ও তার সৎ বোন মন্নুজান শিক্ষার্জন করেছেন। পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষার জন্য রাজধানী মুর্শিদাবাদ যান। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি দেশভ্রমণের সফরে বের হন। সফরকালে তিনি হজ পালন করেন। তিনি মক্কা, মদিনা, কুফা, কারবালাসহ ইরান, ইরাক, আরব, তুরস্ক এমন নানা স্থান সফর করেছেন। সফর শেষে দীর্ঘ ২৭ বছর পর তিনি দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফেরার পর তিনি তার বিধবা বোনের সম্পদ দেখাশোনা শুরু করেন। মন্নুজানের স্বামী মির্জা সালাহউদ্দিন ছিলেন হুগলির নায়েব ফৌজদার।[১]
১৮০৩ সালে মন্নুজানের মৃত্যুর মহসিন তার উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পদের মালিক হন। মহসিন খুব ধার্মিক ছিলেন এবং সহজসরল জীবনযাপন করতেন। তিনি চিরকুমার ছিলেন। বিপুল সম্পদ তিনি দানসদকায় ব্যয় করতেন। ১৭৬৯-৭০ সালের সরকারি দলিল অনুযায়ী তৎকালীন দুর্ভিক্ষের সময় তিনি অনেক লঙ্গরখানা স্থাপন করেন এবং সরকারি তহবিলে অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।[১] ১৮০৬ সালে তিনি মহসিন ফান্ড নামক তহবিল প্রতিষ্ঠা করে তাতে দুইজন মোতাওয়াল্লি নিয়োগ করেন।[১][২] ব্যয়নির্বাহের জন্য সম্পত্তিকে নয়ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে তিনটি ভাগ ধর্মীয় কর্মকাণ্ড, চারটি ভাগ পেনশন, বৃত্তি ও দাতব্য কর্মকাণ্ড এবং দুইটি ভাগ মোতাওয়াল্লিদের পারিশ্রমিকের জন্য বরাদ্দ করা হয়।[১]
হাজি মুহাম্মদ মহসিন ১৮১২ সালে হুগলিতে ইন্তেকাল করেন। তাকে হুগলি ইমামবাড়ায় দাফন করা হয়।

১৯১৮ সালে ২৯শে নভেম্বর লিথুয়ানিয়া প্রজাতন্ত্র হিসাবে ঘোষিত হয়৷

১৯১৮ সালে ২৯শে নভেম্বর লিথুয়ানিয়া প্রজাতন্ত্র হিসাবে ঘোষিত হয়৷
No automatic alt text available.

শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায় ২৯ নভেম্বর ১৯৩৬ জন্মগ্রহণ করেন৷ তিনি ছিলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা, যিনি মূলত: বাংলা ভাষায় অভিনয় করতেন।

Post By
Kalipada Roy 

শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়
ভারতীয় অভিনেতা
শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায় ২৯ নভেম্বর ১৯৩৬ জন্মগ্রহণ করেন৷ তিনি ছিলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা, যিনি মূলত: বাংলা ভাষায় অভিনয় করতেন।
শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়
Image may contain: 1 person, eyeglasses
শুভেন্দু চ্যাটার্জী
জন্ম নভেম্বর ২৯, ১৯৩৬
কোলকাতা
মৃত্যু জুলাই ৫, ২০০৭ (৭০ বছর)
কোলকাতা
পেশা অভিনয়
কার্যকাল ১৯৬৫ - ২০০৬
দাম্পত্য সঙ্গী অঞ্জলী চট্টোপাধ্যায়
সন্তান শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়
পিতা-মাতা শৈলেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (পিতা)
মণিমালা দেবী (মাতা)
পুরস্কার ও সম্মননা সম্পাদনা
আনন্দলোক পুরস্কার: সেরা অভিনেতা ৷